10:56 pm, Saturday, 24 February 2024

অনুপ্রবেশকারীদের কাছে হেরে যাচ্ছে ত্যাগী নেতারা।

  • Reporter Name
  • Update Time : 03:56:46 am, Thursday, 1 June 2023
  • 19 Time View

নিজস্ব সংবাদদাতা:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত ৭১ সদস্য কমিটিতে স্থান হলো না বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক,একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সোনারগাঁ উপজেলার সহ-সভাপতি, ছাত্র নেতা সফিকুল ইসলাম ইমাম এর মতো অনেকের।
কিন্তু কোনো কালে জয় বাংলা শ্লোগান না দিয়েও শুধু মাত্র অর্থের জোরে, প্রথমে শিবির কর্মী পরে ৯০ দশকে এরশাদের ছাত্রসমাজে যোগদিয়ে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেও বর্তমান সভাপতি এ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভুইঁয়ার সানিধ্যে থাকায় প্রস্তাবিত কমিটিতে সুযোগ পেলো চেয়ারম্যান আলামিন সরকার। তৃণমূলের মুখেমুখে প্রচলিত আছে বর্তমান সভাপতির দোয়ার বরকতে বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নে মাহবুব সরকার নামে বিতর্কিত আরো একজন বায়াত হলেন প্রস্তাবিত কমিটিতে। যে কিনা ১৯৮৩ সাল থেকে ৯১ সাল পর্যন্ত জাতীয়পার্টি ও ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে শুরু করে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত ও বর্তমানে জাতীয়পার্টি থেকে লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি হওয়ার পর সে পুনরায় জাতীয়পার্টির কোল গরম করে এখন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে নাম প্রস্তাব করিয়েছেন। সে বীর মুক্তিযোদ্ধা গফুর হত্যা মামলারও অন্যতম আসামী।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ বলছেন সফিকুল ইসলাম ৯০ এ এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহন ও বিএনপি সরকার আমলে হামলা মামলায় শিকার হন। সর্বশেষ রয়েল রিসোর্ট কান্ডে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় হেফাজত কর্মীরা তাকে হত্যার হুমকিও দেয়। সে একজন কলম যোদ্ধা। বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ পরিবারের মধ্যে হাতে গোনা উল্লেখ্য যোগ্য যে ৪টি পরিবার ছিলো তাদের মধ্যে থেকে একটি পরিবারের সন্তান সফিকুল ইসলাম ইমাম।
তার বাবা জোহর আলী মেম্বার ছিলেন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। তিনি জীবদ্দশায় এডভোকেট সাজেদ আলী ভুইয়া,মোবারক হোসেন,আবুল হাসনাত সহ সোনারগাঁ উপজেলার তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে কাঁধে মিলিয়ে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সফিকুল ইসলাম’র রাজনীতির হাতেখড়ি বাবার হাত ধরে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জয় বাংলা শ্লোগান তার ধমনিতে। সেই শৈশব কাল থেকে তৃণমূলের যারা জয় বাংলার শ্লোগান দিয়ে দেশের প্রতি দলের প্রতি মমত্ববোধ দেখিয়ে ৫০ বছর পার করলো,তাদের স্থান হলোনা সোনারগাঁ উপজেলা  আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যের প্রস্তাবিত কমিটিতে!
এখানে প্রশ্ন থেকেই যায়,এই অর্থের যুগে টাকার কাছেই কি হেরে গেলেন প্রকৃত আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা সফিকুল ইসলাম ইমাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সোনারগাঁওয়ে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন বজলুর রহমান সিআইপি।

অনুপ্রবেশকারীদের কাছে হেরে যাচ্ছে ত্যাগী নেতারা।

Update Time : 03:56:46 am, Thursday, 1 June 2023

নিজস্ব সংবাদদাতা:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত ৭১ সদস্য কমিটিতে স্থান হলো না বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক,একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সোনারগাঁ উপজেলার সহ-সভাপতি, ছাত্র নেতা সফিকুল ইসলাম ইমাম এর মতো অনেকের।
কিন্তু কোনো কালে জয় বাংলা শ্লোগান না দিয়েও শুধু মাত্র অর্থের জোরে, প্রথমে শিবির কর্মী পরে ৯০ দশকে এরশাদের ছাত্রসমাজে যোগদিয়ে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেও বর্তমান সভাপতি এ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভুইঁয়ার সানিধ্যে থাকায় প্রস্তাবিত কমিটিতে সুযোগ পেলো চেয়ারম্যান আলামিন সরকার। তৃণমূলের মুখেমুখে প্রচলিত আছে বর্তমান সভাপতির দোয়ার বরকতে বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নে মাহবুব সরকার নামে বিতর্কিত আরো একজন বায়াত হলেন প্রস্তাবিত কমিটিতে। যে কিনা ১৯৮৩ সাল থেকে ৯১ সাল পর্যন্ত জাতীয়পার্টি ও ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে শুরু করে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত ও বর্তমানে জাতীয়পার্টি থেকে লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি হওয়ার পর সে পুনরায় জাতীয়পার্টির কোল গরম করে এখন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে নাম প্রস্তাব করিয়েছেন। সে বীর মুক্তিযোদ্ধা গফুর হত্যা মামলারও অন্যতম আসামী।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ বলছেন সফিকুল ইসলাম ৯০ এ এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহন ও বিএনপি সরকার আমলে হামলা মামলায় শিকার হন। সর্বশেষ রয়েল রিসোর্ট কান্ডে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় হেফাজত কর্মীরা তাকে হত্যার হুমকিও দেয়। সে একজন কলম যোদ্ধা। বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ পরিবারের মধ্যে হাতে গোনা উল্লেখ্য যোগ্য যে ৪টি পরিবার ছিলো তাদের মধ্যে থেকে একটি পরিবারের সন্তান সফিকুল ইসলাম ইমাম।
তার বাবা জোহর আলী মেম্বার ছিলেন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। তিনি জীবদ্দশায় এডভোকেট সাজেদ আলী ভুইয়া,মোবারক হোসেন,আবুল হাসনাত সহ সোনারগাঁ উপজেলার তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে কাঁধে মিলিয়ে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সফিকুল ইসলাম’র রাজনীতির হাতেখড়ি বাবার হাত ধরে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জয় বাংলা শ্লোগান তার ধমনিতে। সেই শৈশব কাল থেকে তৃণমূলের যারা জয় বাংলার শ্লোগান দিয়ে দেশের প্রতি দলের প্রতি মমত্ববোধ দেখিয়ে ৫০ বছর পার করলো,তাদের স্থান হলোনা সোনারগাঁ উপজেলা  আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যের প্রস্তাবিত কমিটিতে!
এখানে প্রশ্ন থেকেই যায়,এই অর্থের যুগে টাকার কাছেই কি হেরে গেলেন প্রকৃত আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা সফিকুল ইসলাম ইমাম।